মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ): স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা না হলেও নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রস্তুতির খবর প্রচারের পর থেকেই কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। ব্যানার, পোস্টার ও বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে রাজপথ। প্রার্থী ও সমর্থকদের পদচারণায় উপজেলাজুড়ে এখন বইছে ভোটের আমেজ। এই নির্বাচনী হাওয়ার মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে মাঠে ব্যাপক গণসংযোগ চালাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও ব্যবসায়ী মো. শহীদ উদ্দিন বাবুল।
উপজেলার পূর্ব গাইলকাটা গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে মো. শহীদ উদ্দিন বাবুল দীর্ঘদিন ধরে কুলিয়ারচরের রাজনীতি ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি কুলিয়ারচর পৌর বিএনপির যুববিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকতে গিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে ছয়বার কারাবরণ করতে হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
তৃণমূলের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে এই যুব সংগঠক মাঠপর্যায়ে জনসেবায় কাজ করছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। এলাকার উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং তরুণ সমাজকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
গণসংযোগকালে মো. শহীদ উদ্দিন বাবুল বলেন, পদের লোভ থেকে নয়, কুলিয়ারচরের সাধারণ মানুষ ও যুবসমাজের আস্থা এবং অধিকার আদায়ের তাগিদেই আমি মাঠে নেমেছি। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কখনো সাধারণ মানুষকে ছেড়ে যাইনি। ইনশাআল্লাহ, জনগণের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে কুলিয়ারচর উপজেলাকে উন্নয়ন, ঐক্য ও অগ্রগতির রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলব।
এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজার, গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় প্রতিনিয়ত সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি তাঁর নির্বাচনী লক্ষ্য তুলে ধরছেন। স্থানীয়দের কেউ কেউ মনে করছেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বাবুলের প্রতি তরুণদের আগ্রহ রয়েছে। তরুণ সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের একটি অংশ তাঁকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান বলেও তাঁর সমর্থকেরা জানিয়েছেন।

