মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ): স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একজন জনপ্রতিনিধির আসল পরিচয় তাঁর পদবি নয়; বরং তাঁর কাজ, আচরণ এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। এই নীতিকে ধারণ করেই কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তরুণ প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মোবারক হোসেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব নেন তিনি। এরপর থেকে প্রায় দুই বছর ধরে সততা, ধৈর্য ও সাহসিকতার সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি।
গ্রামের সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবার প্রথম ও প্রধান আশ্রয়স্থল ইউনিয়ন পরিষদ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কিংবা স্থানীয় ছোটখাটো বিরোধ ও নাগরিক সমস্যার সমাধানে দিনরাত মানুষের পাশে থাকছেন এই তরুণ জনপ্রতিনিধি। দায়িত্বকে ‘ক্ষমতার প্রতীক’ হিসেবে না দেখে ‘সেবার সুযোগ’ হিসেবে গ্রহণ করায় ইতোমধ্যে তিনি সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয়দের আড্ডা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলেও বিগত দুই বছরে মো. মোবারক হোসেনকে ঘিরে কোনো উল্লেখযোগ্য অভিযোগ বা নেতিবাচক সমালোচনা ওঠেনি বলে স্থানীয়দের দাবি। তরুণ বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় তিনি প্রজ্ঞা, পরমতসহিষ্ণুতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন বলেও জানান তারা।
সচেতন মহলের মতে, মানুষের আস্থা অর্জন করা যত সহজ, তা ধরে রাখা তার চেয়েও অনেক বেশি কঠিন। তাই সামনের দিনগুলোতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সহনশীলতার ধারা বজায় রাখাই হবে তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা- মো. মোবারক হোসেনের মতো তরুণ, মেধাবী ও কর্মদক্ষ নেতৃত্ব কেবল ফরিদপুর ইউনিয়নেই নয়, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে উঠে আসুক। দল-মত ও ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনপ্রতিনিধিরা সেবার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে এলে দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও কার্যকর হয়ে উঠবে।

