ডেস্ক: রোববার সকালে ইয়েমেন থেকে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের দিকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। আরব ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা মেহের জানিয়েছে, এই হামলার কারণে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণটি শনাক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একই সময়ে জায়নিস্ট সরকারের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে।
ইসরায়েলি চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বিমান চলাচল স্থগিত করা হয় এবং বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি- তারা ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের নিক্ষেপ করা একটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করতে পেরেছে। সংবাদ মাধ্যমটি আরও জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণ পশ্চিম তীরের কিছু এলাকায় সাইরেন বেজে উঠলেও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি, হতাহতের ঘটনা বা আঘাতের খবর পাওয়া যায়নি।
আইডিএফ-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ মার্চ গাজায় হামাসবিরোধী অভিযান আবার শুরু হওয়ার পর থেকে হুথি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনি বাহিনী ইসরায়েলের দিকে মোট ৯১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। একই সময়ে অন্তত ৪১টি ড্রোনও ইসরায়েলের দিকে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়াও, চলতি বছরের জানুয়ারিতে হামাস- ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির আগে ইয়েমেনিরা ইসরায়েলের দিকে ৪০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১০০টিরও বেশি ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল।
উল্লেখ্য, ইসরায়েল গাজায় আগ্রাসন শুরু করার পর থেকেই ইয়েমেন ফিলিস্তিনের মুক্তি সংগ্রামের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে আসছে। গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ইয়েমেন বারবার ইসরায়েলবিরোধী অভিযানে অংশ নিচ্ছে।

