ঢাকা: জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট শেষ পর্যন্ত ভেঙে গেছে। জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক দল চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে থাকছে না। আজই আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানোর কথা রয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমপক্ষে ৮০টি আসন না ছাড়লে তাদের পক্ষে জোটে থাকা সম্ভব নয়। এ দাবি মানতে না পারায় আসন বণ্টন নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হলেও সমঝোতা হয়নি। মধ্যস্থতার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে- তারা জোটে থাকতে পারছে না। তবে ইসলামী আন্দোলন বাদে অন্য সব দল জোটে থাকছে। ফলে ১১ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোটে রূপ নিচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানিয়েছেন, আজ দুপুরের মধ্যে জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। এরপর সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
জোট সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জোটে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ইসলামী আন্দোলনের চাপ বাড়তে থাকে। প্রথমে তাদের জন্য ৪০টি, পরে ৪৫টি আসন ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তারা ৮০ আসনে অনড় থাকে।
এদিকে ইসলামী আন্দোলনের ২৬৬ জন প্রার্থী ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হাতপাখা প্রতীক নিয়ে আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
বুধবার জোট ভাঙার খবর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও আজ সকালে তা নিশ্চিত হয়।

