বেলাল আহমদ (বান্দরবান): শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংস্থা এপেক্স বাংলাদেশ সারাদেশে কম্বল বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তীব্র শীতের প্রকোপে দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের ছিন্নমূল মানুষরা। এসব মানুষকে শীতের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এপেক্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকাল ৫টায় পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ প্রাঙ্গণে সংগঠনের উদ্যোগে শতাধিক দুঃস্থ, অসহায় ও শ্রমজীবী শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এপেক্সিয়ান প্রিন্সিপাল এস.কে দত্ত (অনুপ), পিএনএসডি, এপেক্স বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শ্যামল কান্তি মজুমদার এবং এপেক্স ক্লাব অব বাংলাদেশ জেলা- ৩ এর গভর্নর (ইলেক্ট) এপেক্সিয়ান প্রকৌশলী ফয়সাল ফরিদ চৌধুরী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নোয়াপাড়া ক্লাবের প্রেসিডেন্ট এপেক্সিয়ান রুবেল হোসাইন নীল, এপেক্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনের প্রেসিডেন্ট এপেক্সিয়ান অনিমেষ ঘোষ, এপেক্সিয়ান রাশেদ ইবনে ফরিদ, এপেক্সিয়ান অধ্যাপক উত্তম কুমার নাথসহ স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এপেক্স ক্লাবের অন্যতম মানবিক দায়িত্ব। এ ধরনের কার্যক্রম সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও সুদৃঢ় করে। ভবিষ্যতেও এপেক্স ক্লাব অব বাংলাদেশ জেলা- ৩ এর পক্ষ থেকে এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
বিশেষ অতিথি অধ্যাপক শ্যামল কান্তি মজুমদার বলেন, একজন শীতার্ত মানুষের গায়ে একটি কম্বল তুলে দিতে পারা অনেক আনন্দের বিষয়। আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানবতার কল্যাণে আত্মনিবেদন করতে হবে। জনসেবায় আত্মনিবেদন করাই পরম ইবাদত।
প্রধান অতিথি এপেক্সিয়ান এস.কে দত্ত (অনুপ) বলেন, অসহায় ও দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারা এক ভিন্ন অনুভূতি। পরিকল্পিতভাবে এ বছর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার অধিক শীতপ্রবণ অঞ্চলের দুস্থ ও অসহায় শীতার্তদের দোরগোড়ায় পৌঁছে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে সবাই এগিয়ে এলে সবার মুখে হাসি ফুটবে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে এ ধরনের মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম আগামীতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখা হবে।

