খুলনা: সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালে খুলনা নগরীর বয়রাস্থ পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস হলে এক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)-এর পুলিশ কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দার উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভার শুরুতে বিগত কল্যাণ সভায় গৃহীত প্রস্তাবসমূহের সিদ্ধান্ত ও সেগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এরপর সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত সমষ্টিগত দাবি-দাওয়ার বিষয়গুলো পুলিশ কমিশনার মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
বাংলাদেশ পুলিশে দীর্ঘ ও সফল কর্মজীবন শেষে অবসরে যাওয়া ৪ জন পুলিশ সদস্যকে পুলিশ কমিশনার মহোদয় ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট ও উপহারসামগ্রী প্রদান করেন। একইসঙ্গে তিনি তাদের অবসরকালীন সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
পুলিশ কমিশনার তাঁর বক্তব্যে বলেন, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য জীবনযাপনের মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা অপরিহার্য। মোবাইল ফোনের ব্যবহার যথাসম্ভব কমাতে হবে। তিনি পেশাগত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন এবং জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহারের উপর জোর দেন। তিনি আরও বলেন, তৈলাক্ত খাবার পরিহার করে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
পরিবার-পরিজনদের খোঁজখবর রাখা, সন্তানদের লেখাপড়ার প্রতি নজর দেওয়া এবং তাদের সঠিক পথে পরিচালিত করা প্রতিটি অভিভাবকের দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন। সন্তানদের খারাপ সঙ্গ থেকে দূরে রাখা এবং মোবাইল ফোন ব্যবহারে তাদের সীমিত রাখতে হবে। সন্তানের প্রতি ভালোবাসা ও ধৈর্য দেখাতে হবে এবং কখনোই প্রকাশ্যে তাদের বকাঝকা করা উচিত নয় বলে তিনি পরামর্শ দেন। সবশেষে, খুলনা মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সবাইকে আন্তরিকভাবে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
কল্যাণ সভায় কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান-সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

