ডেস্ক: চট্টগ্রামে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিদেশে অর্থ পাচার এবং সম্পদের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এলাকা থেকে এই তদন্তের অংশ হিসেবে ২৩ বস্তা নথি উদ্ধার করা হয়।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর আরামিট গ্রুপের শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর স্ত্রী রুকমীলা জামানের গাড়িচালক ইলিয়াস এসব নথি তার নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর দুদকের অভিযানের খবর পেয়ে তিনি তড়িঘড়ি করে নথিগুলো পাশের ওসমান তালুকদারের বাড়িতে সরিয়ে রাখেন। পরে আজ ভোরে সেই বাড়ি থেকেই এই বিপুল পরিমাণ নথি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক পর্যালোচনায় দুদক জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত নথিগুলোতে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই এবং সিঙ্গাপুরে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ৫৮২টি সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া, ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন এবং ক্যাম্বোডিয়ায়ও তার সম্পদের বিবরণ রয়েছে। এসব নথিতে দেশে-বিদেশে কেনা বাড়ির মালিকানা, ভাড়ার আয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচের বিস্তারিত তথ্য ও দলিলপত্র আছে। একই সাথে, বিদেশে তার মুদ্রা পাচারের তথ্য-প্রমাণও এসব নথিতে রয়েছে বলে দুদক জানিয়েছে।
দুদক আরও জানায়, ২৩টি বস্তায় থাকা এই বিপুল পরিমাণ নথি পর্যালোচনা করতে সময় লাগবে। বিস্তারিত তদন্তের পর সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ কমিশন বরাবর উপস্থাপন করা হবে।

