সর্বশেষ :
19 Oct 2026, Mon

সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিজয় চৌধুরী (ঢাকা): বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর সেনাসদরে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে দুই বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতা, পেশাগত সম্পর্ক এবং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

সাক্ষাৎকালে উভয় বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৌশলগত সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও উভয় পক্ষ আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আরও আধুনিক, দক্ষ ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি নৌবাহিনী প্রধানের সফল নেতৃত্ব, সুস্বাস্থ্য ও কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

এর আগে সেনাসদরে পৌঁছালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে তাঁকে স্বাগত জানান এবং অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎ দুই বাহিনীর বিদ্যমান আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা, পেশাগত সম্পর্ক এবং সমন্বিত কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সমন্বয় ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সমন্বয় ও পেশাগত সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তঃবাহিনী সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

By barta24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *