ঢাকা: জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায় ঘোষণাকে ঘিরে রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজধানীতে ১২ প্লাটুন বিজিবি, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে এক প্লাটুন করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনীও মাঠে রয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নৈরাজ্য সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
ঢাকাজুড়ে চিরুনি তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। হোটেল, মেস ও গেস্টহাউসে অতিথিদের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি জানায়, ১–১১ নভেম্বরের মধ্যে ১৭টি ককটেল বিস্ফোরণ ও ৯টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ১৭টি মামলা, ৫০ জন গ্রেফতার এবং গত তিন দিনে ১০০ জনের বেশি সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে।
ডিবি জানিয়েছে, উসকানিমূলক প্রচারণা বা বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কার্যক্রম স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগ আজ ঢাকায় লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে ককটেল বিস্ফোরণ, পেট্রোলবোমা হামলা ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
ডিএমপি কমিশনার এসব সহিংসতার জন্য আত্মগোপনে থাকা দলটির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ও পরিবহন মালিক সমিতি ঘোষণা দিয়েছে, আজ সব দোকান ও গণপরিবহন স্বাভাবিক থাকবে।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আটটি ধর্মভিত্তিক দল আজ মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।

