সর্বশেষ :
19 Oct 2026, Mon

ভৈরব ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল টেকনোলজিতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা সভা

ভৈরব ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল টেকনোলজিতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা সভা

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ): শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ও বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক নিবন্ধিত ‘ভৈরব ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল টেকনোলজি (BIMDT)’-এর উদ্যোগে বিভিন্ন উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের লক্ষ্মীপুরস্থ মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল ভবনে পরিচালিত ডিপ্লোমা কোর্সসমূহ নিয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভৈরব ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল টেকনোলজির অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল আউয়াল।

এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহম্মদ।

বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ও ভৈরবের মাতৃকা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফজলে রাব্বি (আশিক), মেডিকেল অফিসার ডা. উম্মে সালমা নৌরিন ও ডা. ইমরান হোসেনসহ ভৈরব এবং পার্শ্ববর্তী কুলিয়ারচর, বেলাব, রায়পুরা ও আশুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুল, কারিগরি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকরা।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, সভায় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালিত কোর্সসমূহ (ডিপ্লোমা ইন ডেন্টাল, ল্যাবরেটরি ও ফার্মেসি), শিক্ষা কার্যক্রম, ভর্তি প্রক্রিয়া, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যারিয়ার গঠনে বিশেষভাবে উপকৃত হতে পারবে বলে জানান প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

আলোচনা সভায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষার পথে বাধা হতে না পারে, সে লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানে গরিব ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ ও শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য সীমিত আসনে ১০০ শতাংশ স্কলারশিপে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অধ্যয়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য মেধাবী এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এগিয়ে নিতে টিউশন ফিতে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

‘সিদ্ধান্ত আপনার, আর ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব আমাদের’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে কর্তৃপক্ষ শুধু পাঠদানের মধ্যেই তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখছে না। কোর্স সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের ১০০ শতাংশ চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তারা। শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে তাদের একটি ডেডিকেটেড ‘ক্যারিয়ার সাপোর্ট টিম’ কাজ করছে, যা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে সরাসরি সহায়তা দিয়ে থাকে।

শিক্ষা শেষে সম্মানজনক কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ জীবন নিশ্চিত করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের এই সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভর্তির যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়, এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে জীববিজ্ঞানসহ সর্বনিম্ন জিপিএ-৩.০০ থাকতে হবে।

By barta24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *