কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা (প.প.) কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধরের বিরুদ্ধে গত ১৬ নভেম্বর রোববার সাপ্তাহিক ‘সোনালী ধারা’ পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ‘ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট, তোলপাড়’ শিরোনামে এবং বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক মুহাম্মদ কাইসার হামিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে হয়রানি করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে জানা যায়।
দৈনিক ‘গৃহকোণ’ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মুহাম্মদ কাইসার হামিদ জানান, তিনি বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারেন, গত ১৬ নভেম্বর রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভৈরব বাজারস্থ পৌরসভা মোড়ে একটি অফিসে ও ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধরের চেম্বারে ডা. কিশোর কুমার ধর ও তার লোকজন একত্রিত হয়ে একটি বৈঠক (মিটিং) করে এই সিদ্ধান্ত নেয় যে, ‘মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে’ সাংবাদিক মুহাম্মদ কাইসার হামিদকে ভৈরবে অপমান-অপদস্থ করে স্থানীয় সাংবাদিকদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তার মানহানি করবে। তিনি মনে করেন, রোববার সকাল থেকে অফিস টাইম পর্যন্ত হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করলে তা প্রমাণিত হয়ে যাবে।
তিনি ধারণা করছেন, তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে ভৈরব গেলে সুযোগ বুঝে তাকে ফাঁসাতে ডা. কিশোর কুমার ধরের ভাড়াটে লোকজন যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারে। কারণ, ডা. কিশোর কুমার ধর ভৈরবের স্থানীয় বাসিন্দা এবং সাংবাদিক মুহাম্মদ কাইসার হামিদ পার্শ্ববর্তী কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পশ্চিম গোবরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
এছাড়া ভৈরব থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘গৃহকোণ’ পত্রিকার বিরোধিতা করে এমন কতক লোকজনও ডা. কিশোর কুমার ধরকে সহযোগিতা করবে সাংবাদিক মুহাম্মদ কাইসার হামিদকে অপমান-অপদস্থ করাতে। কারণ, কিছুদিন ধরে মার্কেটে বন্ধ থাকা ভৈরব থেকে প্রকাশিত একমাত্র সরকারি তালিকাভুক্ত দৈনিক ‘গৃহকোণ’ পত্রিকাটি সাংবাদিক মুহাম্মদ কাইসার হামিদের মাধ্যমে ফের মার্কেটে চালু করায় তার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিহিংসাবশত এ কাজটি করতে পারে “গৃহকোণ” পত্রিকার প্রতিপক্ষের লোকজন। তাই তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

