সর্বশেষ :
19 Oct 2026, Mon

জীবন চলার পথে করণীয় ও বর্জনীয়

জীবন চলার পথে করণীয় ও বর্জনীয়

ইসলামী দৃষ্টিতে মানুষের জীবন চলার পথে করনীয় (যা করা উচিত) এবং বর্জনীয় (যা করা উচিত নয়) স্পষ্টভাবে কুরআন ও হাদীসে উল্লেখ আছে। সংক্ষেপে তা নিচে তুলে ধরা হলো—

✅ করণীয় (যা করা উচিত)

  1. আল্লাহর একত্বে ঈমান আনা – একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা এবং শিরক থেকে দূরে থাকা।

  2. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা – নিয়মিত সময়মতো নামাজ পড়া।

  3. হালাল উপার্জন করা – সততা, আমানতদারিত্ব ও ন্যায্য পথে জীবিকা অর্জন।

  4. যাকাত ও দান-সদকা করা – সম্পদের হক আদায় এবং অসহায়দের সাহায্য করা।

  5. সদা সত্যবাদী হওয়া – মিথ্যা থেকে বাঁচা।

  6. মাতাপিতা ও বড়দের সম্মান করা – তাদের আদেশ মান্য করা, যত্ন নেওয়া।

  7. মানুষের সাথে উত্তম ব্যবহার করা – দয়া, নম্রতা ও ভদ্র আচরণ।

  8. অন্যের হক আদায় করা – কারো প্রতি অবিচার না করা।

  9. ধৈর্য ও কৃতজ্ঞ থাকা – বিপদে ধৈর্য ধারণ করা, ভালোতে শোকর আদায় করা।

  10. ইলম হাসিল করা – দ্বীনী ও দুনিয়াবি জ্ঞান অর্জন করে সঠিক পথে চলা।


❌ বর্জনীয় (যা করা উচিত নয়)

  1. শিরক ও কুফর – আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা বা ঈমান অস্বীকার করা।

  2. নামাজ, রোযা, হজ, যাকাত ত্যাগ করা – ফরজ ইবাদত ছেড়ে দেওয়া।

  3. হারাম উপার্জন করা – সুদ, ঘুষ, জুয়া, চুরি, প্রতারণা ইত্যাদি।

  4. মিথ্যা বলা ও প্রতারণা করা।

  5. অন্যের হক নষ্ট করা – কারো সম্পদ বা অধিকার অন্যায়ভাবে নেওয়া।

  6. অশ্লীলতা ও ব্যভিচার – জিনা, পর্নোগ্রাফি, অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকা।

  7. নেশা ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ করা – মদ, গাঁজা, ইয়াবা ইত্যাদি।

  8. গীবত, পরনিন্দা ও অপবাদ দেওয়া।

  9. অহংকার ও গর্ব করা – নিজেকে বড় মনে করা।

  10. অন্যায়-অত্যাচার করা – কাউকে কষ্ট দেওয়া, প্রাণী ও পরিবেশের ক্ষতি করা।


👉 সারসংক্ষেপে, ইসলামে জীবন চলার পথে আল্লাহর আনুগত্য, মানুষের প্রতি সদাচার এবং হারাম থেকে বেঁচে থাকা-ই মূল শিক্ষা।

By barta24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *