বায়েজিদ, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা): আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এর ভোটগ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধা–০৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক নিয়ে শুরু হয়েছে কাড়াকাড়ি। প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে মাঠপর্যায়ে প্রচার- প্রচারণা জোরদার হওয়ায় স্থানীয় রাজনীতিতে বাড়ছে উত্তেজনা।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এ নির্বাচনকে ঘিরে পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাটবাজার- সবখানেই চলছে ভোটের আলোচনা, প্রার্থী ও সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ।
যদিও এবারের নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভোটারদের ভূমিকা অনেকটাই ভাগ্য নির্ধারক হিসেবে দেখা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী না থাকলেও দলটির সমর্থকদের ভোট কার ঝুলিতে যাবে, তা নিয়ে দুই প্রধান দলের মধ্যেই চলছে জোর প্রচেষ্টা। ভোট টানতে দেওয়া হচ্ছে নানা প্রতিশ্রুতি; ধর্মপ্রাণ ভোটারদের জন্যও থাকছে আলাদা বার্তা।
আওয়ামী লীগ সমর্থকদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যেই ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মঈনুল হাসান সাদিকের পক্ষে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।
আবার একটি অংশ জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কাওছার মো. নজরুল ইসলাম লেবু মাওলানার পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছেন।
দুটি দলের পক্ষ থেকে ভোটারদের দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি। হয়রানিমূলক মামলা, হামলা ও গ্রেপ্তার না করার নিশ্চয়তাও দেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থক ভোটারদের ভোট যার বাক্সে বেশি যাবে, সেই-ই হবেন পলাশবাড়ী–সাদুল্লাপুর আসনের আগামী দিনের এমপি- এমনটাই বলছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।

