একটি রাষ্ট্র তখনই সুস্থ ও উন্নত হয়, যখন দেশের জনগণ রাজনৈতিকভাবে সচেতন, ন্যায়পরায়ণ ও দায়িত্বশীল থাকে। জনগণের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি হওয়া উচিত সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে, স্বার্থপরতা ও অন্ধ অনুকরণ থেকে মুক্ত।
যেমন:
১. জনগণকে বুঝতে হবে রাজনীতি মানে শুধুমাত্র ক্ষমতার খেলা নয়; এটি মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজের উন্নয়নের পথ।
২. জনগণকে সচেতন থাকতে হবে যাতে তারা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়, বরং দেশের বৃহত্তর কল্যাণের জন্য নেতৃত্ব বেছে নিতে পারে।
৩. সমালোচনা ও মত প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রেখে সত্যকে তুলে ধরা প্রয়োজন। কারণ অন্ধ অনুসারিতা ও হিংসাত্মক মনোভাব জাতিকে বিভক্ত করে।
৪. জনগণকে রাজনৈতিকভাবে জবাবদিহিতার দাবি করতে হবে। কোনো নেতা বা দলকে অন্ধভাবে সমর্থন না করে তাদের কাজের হিসাব চাইতে হবে।
সর্বোপরি বলা যায়- জনগণের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে ন্যায়ভিত্তিক, জ্ঞাননির্ভর, দায়িত্বশীল এবং দেশপ্রেমমূলক। তাহলেই রাষ্ট্রে গণতন্ত্র সুসংহত হবে এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। আর তখনই প্রতিটি জনগণ স্বাধীনভাবে মুখ ফুটে নিজের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কথাগুলো বুক ফুলিয়ে প্রকাশ করতে পারবে। তবে তো মনে হবে, এই তো আমার সোনার বাংলাদেশ।

