আকতার হোসেন বকুল, পাঁচবিবি (জয়পুরহাট): জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ও কুসুম্বা ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যয়িত প্রায় ১১ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাশপিয়া তাসরিন। সরকারি প্রকল্পের অব্যয়িত অর্থ নয়-ছয় না করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ায় তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের সোনাপুর-খোদ্দমশুল ঝিনাইগাড়ী সোনামুন মাস্টারের জমি থেকে জীবনপুর ব্রিজ পর্যন্ত এবং কুসুম্বা ইউনিয়নের ঢাকারপাড়া আকরামের বাড়ি থেকে কুসুম্বা সুইচগেট পর্যন্ত খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এর মধ্যে ঝিনাইগাড়ী খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৩১ লাখ ৭৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও ব্যয় হয় ২১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৮৫ টাকা। অপরদিকে কুসুম্বা সুইচগেট খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয় ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫০ টাকা।
দুই প্রকল্পে মোট ১০ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৫ টাকা অব্যয়িত থাকায় সরকারি বিধি অনুযায়ী তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন বলেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের দুর্ভোগ কমানোই ছিল এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী খাল পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন করে শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধের পর অব্যয়িত প্রায় ১১ লাখ টাকা বিধি মোতাবেক সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

