সর্বশেষ :
20 Oct 2026, Tue

পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ সড়কে নোংরা পানি, দুর্গন্ধে চরম ভোগান্তি

পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ সড়কে নোংরা পানি, দুর্গন্ধে চরম ভোগান্তি

বায়েজীদ, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা): গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদে প্রবেশমুখেই সৃষ্টি হয়েছে চরম ভোগান্তিকর পরিস্থিতি। উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে দিয়ে বয়ে যাওয়া নোংরা পানি ও অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সড়কের একাংশ ময়লা পানিতে সয়লাব হয়ে রয়েছে। এতে প্রতিদিন উপজেলা পরিষদে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যাংকের গ্রাহক, পথচারী এবং নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা কেন্দ্রীয় মসজিদের অজু ও ব্যবহার্য পানির সুষ্ঠু নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় সেই পানি রাস্তার ওপর জমে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকায় সেখানে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গরমের সময় পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে ওঠে।

এদিকে উপজেলা পরিষদের ফটকের নিচের অংশে সড়ক সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে যানবাহন চলাচলের পাশাপাশি পথচারীদেরও নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন পাশের পিয়ারী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময় ছাত্রীদের নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এছাড়া সোনালী ব্যাংক এবং পার্শ্ববর্তী দুটি বেসরকারি ব্যাংকের গ্রাহকরাও একই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাপ্রত্যাশীরা জানান, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রবেশের মুখেই এমন পরিবেশ অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও স্থায়ী সমাধান না হলে জনভোগান্তি আরও বাড়বে।

সচেতন মহলের দাবি, উপজেলা পরিষদ, পৌর প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। তারা রাস্তার ওপর জমে থাকা নোংরা পানি অপসারণ, ড্রেন সংস্কার এবং যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৌর প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, জনস্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং উপজেলা পরিষদ এলাকায় একটি স্বাস্থ্যসম্মত ও জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

By barta24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *